-
দিনাজপুরের জমিদার মহারাজা প্রাণনাথ ও তাঁর পালকপুত্র রামনাথ (১৭০৪—১৭৫২ খ্রিষ্টাব্দে) মন্দিরটি নির্মাণ করেন।
ছবি:সাহাদাত পারভেজ -
মন্দিরের সামনের অংশের তিনটি স্তম্ভ।এটাই মন্দিরের প্রবেশপথ।
ছবি:সাহাদাত পারভেজ -
মন্দিরের দেয়ালে হাতির নকশায় তৈরি পোড়ামাটির ফলকচিত্র।
ছবি:সাহাদাত পারভেজ -
ফলকচিত্রে ঘোড়ার পিঠে একজন যোদ্ধা।
ছবি:সাহাদাত পারভেজ -
নৌকারোহী ও বিনোদনের নকশা করা টেরাকোটা।
ছবি:সাহাদাত পারভেজ -
মন্দিরের দেয়ালে মানুষ ও বিভিন্ন পশু, লতা আর ফুলের অলংকরণ।
ছবি:সাহাদাত পারভেজ -
দ্বিতল মন্দিরের ওপরে উড়ছে পতাকা।
ছবি:সাহাদাত পারভেজ -
রামায়ণ-মহাভারতের কাহিনি অবলম্বনে হাতি, ঘোড়া, যোদ্ধাদের নিয়ে টেরাকোটা।নিচে আছে ফুলের নকশা করা টেরাকোটা।
ছবি:সাহাদাত পারভেজ -
বর্গাকৃতি মন্দিরটির একটি কোণা।
ছবি:সাহাদাত পারভেজ -
মন্দিরের একটি খিলান।
ছবি:সাহাদাত পারভেজ -
নিসর্গের ফাঁক দিয়ে মন্দিরটি।
ছবি:সাহাদাত পারভেজ -
আড়াআড়িভাবে দাঁড়ানো মন্দিরের কয়েকটি স্তম্ভ।
ছবি:সাহাদাত পারভেজ



