• হোম
  •   ত্রাণ তহবিল






































৬৫৮ জন দরিদ্র মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ

চার জেলায় প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে ৬৫৮ জন দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। পঞ্চগড়, ভোলা ও রংপুরের তারাগঞ্জ এবং সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় গত বুধবার শীতবস্ত্রগুলো বিতরণ করা হয়। ঢাকার বাইরে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক, আঞ্চলিক কার্যালয় ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর: পঞ্চগড়: বুধবার সকালে সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের তালমাগ্রামের প্রধানপাড়া, দলুয়াপাড়া, ফকিরপাড়া, কায়েতপাড়া, বসুনিয়াপাড়া, বামনপাড়া ও ভোলাপাড়া গ্রামের ৭০ জন দরিদ্র ব্যক্তির মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়।... বিস্তারিত



দিনাজপুর ও রায়গঞ্জে শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ

প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে গতকাল বৃহস্পতিবার দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় ও গত বুধবার সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ২৩০ দুস্থ মানুষকে কম্বল দেওয়া হয়েছে। গতকাল পার্বতীপুর উপজেলার ভবেরবাজার তাজনগর গ্রামে ও দিনাজপুর শহরের শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়। ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগিতায় দিনাজপুর বন্ধুসভার সদস্যরা দুই দফায় এসব কম্বল বিতরণ করেন। প্রথম দফায় ভবেরবাজার তাজনগর গ্রামের ৫০ জন শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেন ব্র্যাক ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান তাহনিয়াত আহমেদ করিম ও প্রথম আলো ট্রাস্টের সমন্বয়কারী ফেরদৌস ফয়সাল। বিকেলে দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আরও ৫০ শীতার্ত মানুষকে ডেকে এনে তাঁদের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়।... বিস্তারিত


বিজয় দিবসে কুড়িগ্রাম প্রথম আলো চরে ভাস্কর্য উদ্বোধন

প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে বিপুল উত্সাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে কুড়িগ্রাম প্রথম আলো চরে বিজয় দিবস পালন করা হয়। এ উপলক্ষে প্রথম আলো চর প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে স্মৃতিসৌধের আদলে বালির ভাস্কর্য তৈরি হয়। ভাস্কর্য উদ্বোধন করেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই সরকার বীর প্রতীক ও আব্দুল আউয়াল । গত ১৬ ডিসেম্বর শুক্রবার চরে প্রথমবারের মত দিনটি পালন উপলক্ষে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বিজয় দিবস উপলক্ষে সকাল থেকে বিদ্যালয় মাঠে বিভিন্ন চর থেকে কয়েক শত শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকের সমাবেশ ঘটে। অনুষ্ঠানের শুরুতে সকাল ১১ টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন কুড়িগ্রাম বন্ধুসভার সদস্য ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ। পরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী,শিক্ষক অভিভাবকবৃন্দ। এরপর শুরু হয় খেলাধুলা। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং চরের যুবকরা অংশগ্রহণ করেন। প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে প্রথম আলো চরসহ আরো দুইটি চরের পাঁচ শতাধিক শিশুকে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। প্রচণ্ড শীতের মধ্যে রাতদিন পরিশ্রম করে বালির ভাস্কর্যটি তৈরি করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী মানবেন্দ্র ঘোষ, অলক রাজবংশী, তানভীর মাহমুদ, ফারজানা তাবাসুম ও আরিফ হক। এতে সহযোগিতা করেন গ্রীন ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ। প্রথম আলো কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি সফি খান উপস্থিত ছিলেন ।

ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় আইলা আঘাত হানে ১৫ মে ২০০৯। এই ঝড়ে মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি প্রচুর সম্পদের ক্ষতি সাধন হয়। প্রথম আলো ট্রাস্ট জরুরী চাহিদা মেটানোর জন্য ব্যপাক ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম হাতে নেয়। ত্রান কাজের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ন হলো কারিতাসের সহযোগিতায় আইলা দুর্গত অঞ্চল সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলায় মুন্সিগঞ্জ ইউনয়নের সিংহরতলী পরিবেশ স্কুল প্রাঙ্গণে ‘প্রথম আলো দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র’ নির্মাণ। মোট ৭৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয় বছরের স্বাভাবিক সময়ে আশ্রয়কেন্দ্রেপরিবেশ স্কুল নামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালিত হবে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ করাও হবে আশ্রয়কেন্দ্র অন্যতম কাজ আশ্রয়কেন্দ্রের জমিদাতা আবুল কাশেমের বাড়ির পাশে পুকুরটি আইলার পানিতে নষ্ট হয়ে যায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে পুকুর ও পুকুরঘাট সংস্কার করে প্রথম আলো আশ্রয়কেন্দ্র-সংলগ্ন পুকুর সংস্কার করে এলাকার মানুষের পানির সমস্যা সমাধান করা হয়েছে এই প্রকল্প গ্রহণের উদ্দেশ্য এলাকাবাসীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করা, পরিবেশ স্কুলের সংস্কার করা এবং পানীয় ও অন্যান্য কাজে ব্যবহারের জন্য সুপেয় পানির সংস্থান সৃষ্টি। এই দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র ও সংলগ্ন পুকুর ওই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জন্য একটা অবলম্বন হয়ে উঠেছে।

গুরুত্বপূর্ন তথ্য:
পরিকল্পনা ও অর্থায়ন: প্রথম আলো ট্রাস্ট
বাস্তবায়ন: কারিতাস বাংলাদেশ
নির্মান আরম্ভ: ২৭ জানুয়ারি ২০১০ খ্রিষ্টাব্দ
উদ্বোধন ও হস্তান্তর: ২৮ জানুয়ারি ২০১১ খ্রিষ্টাব্দ
মেঝের আয়তন: এক হাজার ৬৮২ বর্গফুট (চারদিকের ভিটির আয়তনসহ দুই হাজার ৬২৮ বর্গফুট)
ধারণক্ষমতা: এক হাজার ১০০ জন (সহজ অবস্থানযোগ্য)
রুমের সংখ্যা: চারটি (দুটি ২০র্×১র্৮, একটি ২০র্×১র্৩, একটি ১১র্×৮'-র্২র্ )
পানির সুবিধা: ক) অগভীর নলকূপ ১৯৫ ফুট (পানযোগ্য)
খ) ছাদে বৃষ্টির পানি সংগ্রহের পানির ট্যাংক (১৫ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন)
শৈচাগার সুবিধা: ক) নিচতলার পাশে চারটি রুম (দুটি পুরুষদের, দুটি মহিলাদের)
খ) দ্বিতীয় তলায় চারটি রুম (দুটি পুরুষদের, দুটি মহিলাদের)
আলো সরবরাহের সুবিধা: (৫০ ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুই ইউনিটবিশিষ্ট সোলার সিস্টেম)
মোট খরচ: ৭৭ লক্ষ টাকা
অন্যান্য তথ্য: ক) ২৬০ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত বাতাস প্রতিরোধে সক্ষম (বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী)
খ) কংক্রিটের চাপ সহনক্ষমতা ৩,০০০ পিএসআই

কুড়িগ্রাম চর স্কুল

কুড়িগ্রাম সদরের ঘোগাদহ ইউনিয়নে অবস্থিত প্রথম আলো চর। প্রায় ৩৭০টি পরিবার ও আনুমানিক এক হাজার ৮৫০ মানুষের আবাসস্থল প্রথম আলো চর। প্রায় ২৫০ জন স্কুলগামী ছেলেমেয়ে আছে চরে। সম্প্রতি এই অঞ্চলের শিশুদের কথা মনে করে প্রথম আলো ট্রাস্টের (ত্রাণ তহবিল) অর্থায়নে এবং গ্রিন ওয়ার্ল্ডের সহযোগিতায় একটি স্কুল তৈরি করা হয়। এপ্রিল ২০১০ সালে স্কুলটি অনানুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসের ২৬ তারিখ প্রথম আলো ট্রাস্টের পক্ষে মতিউর রহমান ও মুহাম্মদ আজিজ খান স্কুলটির উদ্বোধন করেন। বর্তমানে ১৮০ জন শিক্ষার্থী ওই স্কুলে পড়াশোনা করছে। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে দিনে পুষ্টিকর বিস্কুট দেওয়া হয়। বর্তমানে দুটি কক্ষ ও বেঞ্চ টেবিল আছে শিক্ষার্থীদের জন্য। বিশুদ্ধ পানির জন্য একটি টিউবওয়েলও স্থাপন করা হয়েছে। আছে একটি শৌচাগারও। স্কুলের সব শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুলের পোশাক দেওয়া হয়েছে। দুজন শিক্ষক এই শিক্ষার্থীদের দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করছেন। স্কুলটি ওই অঞ্চলের শিক্ষার প্রসারে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

রঞ্জিতের মাদ্রাসা নির্মাণ কাজ শেষ

'আগে কখনো ভাবি নাই আমাদের পাকা ঘর হবে। এখন খুব খুশি লাগছে। আমার বন্ধুরা আমাদের পাকা বাড়ি দেখতে আসে। এমনটাই জানালেন নীলফামারীর সেই আলোচিত মাদ্রাসা শিক্ষক রঞ্জিত রায়ের ছেলে রিপন রায়। প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে রঞ্জিত কুমার রায়ের মাদ্রাসা ও তাঁর পরিবারসহ বসবাসের একটি ঘর নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। জেলা সদরের সোনারায় ইউনিয়নের বেড়াকুটি বড়ুয়া দাখিল মাদ্রাসা ও মাদ্রাসা শিক্ষক রঞ্জিত কুমার রায়ের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় মাদ্রাসা ও শিক্ষক রঞ্জিতের জন্য প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে নির্মাণাধীন ঘরের কাজ শেষ হয়েছে। শিক্ষক রঞ্জিত কুমার রায় বলেন, প্রথম আলোর পাঠক ও বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। রঞ্জিতের পরিবারের সদস্যদের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে রঞ্জিতের স্ত্রী শৈব্যা রায় বলেন, খুব ভাল লাগছে। স্বপ্ন ছিল এমন একটা ঘর হবে এখন সেটা বাস্তবে হলো, এটা ভাবতে আনন্দ লাগে। একদিকে পূজা, অন্যদিকে নতুন ঘরে প্রবেশের আনন্দ। স্থানীয় সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নুর প্রথম আলো ট্রাস্টের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে, বলেন, এবার নীলফামারীতে যদি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভূক্ত হয় তাহলে সেটি হবে বেড়া কুটি বড়ুয়া দাখিল মাদ্রাসা।
এখনো সহায়তা করতে পারেন: 'এক বেলা শিক্ষকতা অন্য বেলা দিন মজুরি' শিরোনামে চলতি বছরের ৯ মার্চ প্রথম আলোর শেষের পাতায় একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর দেশ-বিদেশের অসংখ্য পাঠকের অনুরোধে প্রথম আলো মাদ্রাসার ঘর ও শিক্ষক রঞ্জিতের পরিবারসহ থাকার জন্য একটি ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। এ কাজের সাথে যুক্ত হতে অনেকে হাত বাড়িয়েছেন। এ কাজে ব্যায় হয় পাঁচ লাখ ২৮ হাজার ৯৯০ টাকা। ওই তহবিলে বর্তমানে জমা আছে তিন লাখ ৩২ হাজার টাকা। আগ্রহী যে কোনো ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান এ কাজে অংশ নিতে আর্থিক সহায়তা দিতে পারেন। প্রয়োজনে প্রথম আলো কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

প্রথম আলো ট্রাষ্ট ও এইচএসবিসির যৌথ উদ্যোগ

এতিম ও সুবিধাবঞ্জিত শিশুদের মাঝে ইফতার ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হচ্ছে

কুড়িগ্রামের প্রথম আলো চর স্কুলকে অনুদান দিল সামিট পাওয়ার

৩১ জুলাই ২০১১

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সাতটি জেলে পরিবারকে পুনর্বাসিত করছে প্রথম আলো ট্রাস্ট

প্রথম আলো-ট্রাস্ট ত্রাণ কার্যক্রম

পুকুর সংস্কার

ত্রাণ কার্যক্রম