কাঁটাতারের কোনো বেড়া নেই। খুঁটি কিংবা সীমানা পিলার খুঁজতে চাইলেও লাভ নেই। দেখা মিলবে না কোনোটারই। তার পরও মানুষগুলো চারদিক থেকে বন্দী। চাইলেই যখন-তখন যেভাবে খুশি বের হওয়ার উপায় নেই। রাস্তা বলতে কোথাও জমির আল ধরে চলা। আবার জলাভূমি থাকলে তার ওপর তৈরি হয়েছে বাঁশের সাঁকো। ভূমি থাকলেও দেশের ওপর অধিকার নেই। বাংলাদেশ ও ভারতে এ ধরনের ১৬২টি ভূখণ্ড রয়েছে, যার মধ্যে ভারতের ১১১টি ভূখণ্ড বাংলাদেশে। আর বাংলাদেশের ৫১টি ভূখণ্ড রয়েছে ভারতে। ছুটে যাওয়া বলেই হয়তো এসব ভূখণ্ড পরিচিত ছিটমহল নামে। আর ‘ছিটের মানুষ’ নামে পরিচিত ছিটমহলের অধিবাসী।... বিস্তারিত
মানচিত্রের বাইরে বসবাস
কাঁটাতারের কোনো বেড়া নেই। খুঁটি কিংবা সীমানা পিলার খুঁজতে চাইলেও লাভ নেই। দেখা মিলবে না কোনোটারই। তার পরও মানুষগুলো চারদিক থেকে বন্দী। চাইলেই যখন-তখন যেভাবে খুশি বের হওয়ার উপায় নেই। রাস্তা বলতে কোথাও জমির আল ধরে চলা। আবার জলাভূমি থাকলে তার ওপর তৈরি হয়েছে বাঁশের সাঁকো। ভূমি থাকলেও দেশের ওপর অধিকার নেই। বাংলাদেশ ও ভারতে এ ধরনের ১৬২টি ভূখণ্ড রয়েছে, যার মধ্যে ভারতের ১১১টি ভূখণ্ড বাংলাদেশে। আর বাংলাদেশের ৫১টি ভূখণ্ড রয়েছে ভারতে। ছুটে যাওয়া বলেই হয়তো এসব ভূখণ্ড পরিচিত ছিটমহল নামে। আর ‘ছিটের মানুষ’ নামে পরিচিত ছিটমহলের অধিবাসী।... বিস্তারিত ছিটমহল
অবস্থানগত পরিচয়ে তারা বাংলাদেশের মানুষ। থাকতে হয় ভারতের ভেতর। ওরা ভারতের মানুষ। বসবাস বাংলাদেশের ভেতর। কিন্তু বাস্তবে এরা দেশহীন, নাগরিকত্বহীন। এদের পরিচয় ‘ছিটের মানুষ’। আবদ্ধ জীবনযাপনের কষ্ট, যাতায়াত, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার কষ্ট, নিরাপত্তা ও বিচ্ছিন্নতার কষ্ট—সব মিলে দীর্ঘশ্বাসে ভরা জীবন তাদের। উভয় দেশের কয়েকটি ছিটমহল ঘুরে অধিবাসীদের হতাশা আর আকাঙ্ক্ষার কথা জেনেছে... বিস্তারিত
করুণা আর দয়ানির্ভর জীবন!
‘বলতে পারেন কোথায় যাব? কী-ই বা আমাদের পরিচয়? এটুকু জানি, আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার আমাদের খোঁজ রাখে না। আমরা তো ভারতের মাঝে একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পড়ে আছি। অথচ ভারত সরকারও আমাদের মেনে নেয়নি, দেয়নি নাগরিকত্ব। বেঁচে আছি ভারতের করুণা, দয়া আর সাহায্য নিয়ে। দেশভাগের পর থেকে এটাই যেন আমাদের নিয়তি। দুর্বিষহ এ নিয়তি থেকে এখন আমরা মুক্তি চাই।’
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের... বিস্তারিত
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের... বিস্তারিত
দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল
গেট ফেইলের ফাঁদে জীবন
‘সারা দিন ভটভটি চালিয়েছি পাটগ্রামে। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার মধ্যে গ্রামে ফিরতে হবে। সবকিছু ভেবে সতর্কই ছিলাম। কিন্তু পথে ভটভটির চাকা পাংচার হওয়ায় সময়মতো আসতে পারিনি। আর বিএসএফও সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় গেট বন্ধ করে দেয়। তাই রাত কাটাতে হয়েছে পরিচিত এক লোকের বাড়িতে।’
বিড়ম্বনার এই গল্পটা দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলের বাসিন্দা মকবুল হোসেনের। গত ২৮ জুলাই এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপের সময়... বিস্তারিত
বিড়ম্বনার এই গল্পটা দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলের বাসিন্দা মকবুল হোসেনের। গত ২৮ জুলাই এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপের সময়... বিস্তারিত
একনজরে ছিটমহল
১৯৪৭ সালে রেডক্লিফের মানচিত্র বিভাজন থেকেই উদ্ভব ছিটমহলের। এক দেশের ভূখণ্ডে থেকে যায় অন্য দেশের অংশ। উদ্ভব হয় এক মানবিক সমস্যার।
১৯৭৪ সালে মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চিহ্নিতকরণ চুক্তিতে বলা আছে, ভূমি বিনিময়ের সময় লোকজন যেখানে থাকতে চাইবে, সেখানেই তাদের থাকতে দেওয়া হবে।
১৬২ টি ছিটমহল আছে দুই প্রতিবেশী দেশে। এর মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল আছে বাংলাদেশে। আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল... বিস্তারিত
১৯৭৪ সালে মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চিহ্নিতকরণ চুক্তিতে বলা আছে, ভূমি বিনিময়ের সময় লোকজন যেখানে থাকতে চাইবে, সেখানেই তাদের থাকতে দেওয়া হবে।
১৬২ টি ছিটমহল আছে দুই প্রতিবেশী দেশে। এর মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল আছে বাংলাদেশে। আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল... বিস্তারিত
কথোপকথন
আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে
সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে বিশেষ উন্নতি চোখে পড়েছে। গত বছর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের পর আগামী মাসে ফিরতি সফরে ঢাকায় আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। এ সফরে পানিবণ্টন ও সীমান্ত বিরোধের মতো অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান হওয়ার কথা। সম্প্রতি ঢাকায় এসেছিলেন দেব মুখার্জি ও শ্রীরাধা দত্ত। সোহরাব হাসান ও রাহীদ এজাজের সঙ্গে আলাপচারিতায়... বিস্তারিত
মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি
পেছনের কথা, আগামীর পথ
১৯৭৪ সালের মে মাসে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে স্থল-সীমানা নির্ধারণ এবং আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে একটি চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তিটি দুই দেশের প্রগাঢ় বন্ধুত্ব, আন্তরিক মনোভাব ও পারস্পরিক বিশ্বাস, আর সবার ওপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী—এ দুজন মহান রাষ্ট্রনায়কের শান্তি ও সম্প্রীতির অন্তর্দৃষ্টির প্রতীক। এই দুটি জাতির ওপর ঐতিহাসিকভাবে বর্তানো কিছু... বিস্তারিত
ভারতের ভেতরে বাংলাদেশ
ওরা থাকতে চায় ভারতের মাটিতে
ব্রিটিশ আমলে সৃষ্টি ভারত ও বাংলাদেশের ভূখণ্ডে থাকা ছিটমহলের বিনিময়ের দাবি উঠেছে। ছিটমহলবাসী চান, তাঁরা যে দেশের ভূখণ্ডে বসবাস করছেন সেই দেশের নাগরিকত্ব। অন্য দেশে ‘পরগাছা’ হিসেবে থাকতে চান না। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভূখণ্ডে থাকা ৫১টি বাংলাদেশি ছিটমহলের বাসিন্দারা ছিটমহল বিনিময়ের দাবি তুলেছেন। এ জন্য পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় সমন্বয়... বিস্তারিত
বাংলাদেশের ভেতরে ভারত
ছোট ছোট ছিটমহল, বড় বড় দুঃখ
‘কম হলেও ছিটের জমির কিছু দাম আছে। কিন্তু ছিটের মানুষের কোনো দামই নেই।’
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ছিটমহল কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ছোট গারালজোড়ার বাসিন্দা পঞ্চাশোর্ধ্ব মো. মকবুল হোসেন দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন কথাটি।
ষাটোর্ধ্ব মহিউদ্দিন বলেন, ‘ছিটের জমি ভারতের। আমরা তার নাগরিক। তাহলে আমাদের চলাচলের রাস্তা, অসুখ-বিসুখের চিকিৎসা, ছেলেমেয়ের পড়াশোনার ব্যবস্থা কোথায়?’... বিস্তারিত
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ছিটমহল কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ছোট গারালজোড়ার বাসিন্দা পঞ্চাশোর্ধ্ব মো. মকবুল হোসেন দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন কথাটি।
ষাটোর্ধ্ব মহিউদ্দিন বলেন, ‘ছিটের জমি ভারতের। আমরা তার নাগরিক। তাহলে আমাদের চলাচলের রাস্তা, অসুখ-বিসুখের চিকিৎসা, ছেলেমেয়ের পড়াশোনার ব্যবস্থা কোথায়?’... বিস্তারিত
পরিচয়হীনতার গ্লানি থেকে মুক্তি চায় ছিটের মানুষ
‘হামার কোনো দ্যাশও নাই, সরকারও নাই, হামার কোনো মূল্য নাই। বাংলাদেশি পরিচয় দিয়ে, মিছা কথা কহে চিকিৎসা করিবা নাগেছে। ছুয়াপুতালাক স্কুলত নেয় না। তাই সবাই মনেপ্রাণে বাংলাদেশি হতি চাই, একটা পরিচয় লিয়ে মরতি চাই।’
কথাগুলো বললেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার ভারতীয় গারাতি ছিটমহলের অধিবাসী মুক্তিযোদ্ধা মো. বছিরউদ্দিন (৭০)।
সম্প্রতি জনগণনা হওয়ার পর আশার আলো দেখতে শুরু... বিস্তারিত
[ 1 ][ 2 ] >>
কথাগুলো বললেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার ভারতীয় গারাতি ছিটমহলের অধিবাসী মুক্তিযোদ্ধা মো. বছিরউদ্দিন (৭০)।
সম্প্রতি জনগণনা হওয়ার পর আশার আলো দেখতে শুরু... বিস্তারিত



